মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

উপজেলা প্রশাসনের পটভূমি

উপজেলা প্রশাসনঃ১৯৮২ সালে ক্ষমতাসীন হওয়ার পর তৎকালীন মহামান্য রাষ্ট্রপতি লেঃ জেঃ (অবঃ) হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ প্রশাসনকে জনগণের দোর গোড়ায় পৌছে দেয়ার লক্ষ্যে থানা গুলোকে উপজেলা এবং মহকুমাকে জেলায় রূপান্তরিত করেন। এ পদক্ষেপের কারণে নবাবগঞ্জের অন্য ০৪টি থানার সঙ্গে শিবগঞ্জ ও উপজেলায় উন্নীত হয়। ১৯৮৪ সালের ১মার্চ শিবগঞ্জ আনুষ্ঠানিকভাবে উপজেলায় উন্নীত হয়। সীমানা প্রচীর দ্বারা ঘেরা শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন চত্ত্বটির উত্তর পশ্চিম অংশে মূল গেটের পাশ ঘেঁষে অবস্থিত দ্বিতল ভবনটির উপরতলা উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয় হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে। নিচ তলায় রয়েছে উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়, উপজেলা নির্বাচন অফিসারের কার্যালয় এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়। উপজেলা বাউন্ডারী ওয়ালের ভিতরে আরও যে সকল দপ্তর রয়েছে সেগুলো হচ্ছে উপজেলা কৃষি মৎস্য, শিক্ষা, সমাজসেবা, সমবায় আনসার, ভিডিপি, হিসাব রক্ষণ, খাদ্য ও সাব রেজিস্টারের দপ্তর। শিবগঞ্জ সোনালী ব্যাংক, শাখা ও উপজেলা পরিষদ চত্বরে অবস্থিত। এছাড়া একটি দ্বিতল উপজেলা জামে মসজিদ ও পূর্ণাঙ্গ ঈদগাহ ও এ চত্ত্বরে অবস্থিত। সীমানা প্রচীরের বাইরে উপজেলার সরকারী জায়গায় যে সকল দপ্তর অবস্থিত সেগুলো হচ্ছে দক্ষিণ পশ্চিম অংশে অবস্থিত বিআরডিবির দ্বিতল ‘পল্লী ভবন’, পশ্চিম অংশে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসারের কার্যালয়, দক্ষিণ অংশে পিডিবির আবাসিক প্রকৌশলীর দপ্তর এবং উত্তর দিকে ১০০ গজ দূরে অবস্থিত বিএমডিএ ভবন। এছাড়া ভাড়াবাড়ীতে যে সকল দপ্তর অবস্থিত সেগুলো হচ্ছে সীমানা প্রাচীরের পূব পার্শ্বে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের কার্যালয় এবং উত্তরে ৫০ গজ দূরে অবস্থিত মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তার কার্যালয়।